আমদের ব্যবসায়িক ও পর্যটন সংক্রান্ত অস্থায়ী ভ্রমণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ২০,০০০ মার্কিন ডলারের (প্রায় ৮৮,০০০ কিমা) বিতর্কিত ‘ভিসা বন্ড’ (Visa Bond) নীতি নিয়ে ওয়াশিংটনের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও কূটনৈতিক যোগাযোগের উদ্যোগ নিয়েছেন পাপুয়া নিউ গিনির (PNG) প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে। সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে এই বাড়তি আর্থিক বোঝা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও, জেমস মারাপে স্পষ্ট করেছেন যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাপুয়া নিউ গিনির কূটনৈতিক সম্পর্কের কোনো অবনতি নয়।
এক বিশেষ বিবৃতিতে পিএনজি প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, এবং যেকোনো স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে নিজস্ব অভিবাসন ও সীমান্ত সুরক্ষা নীতি নির্ধারণের সার্বভৌম অধিকার তাদের রয়েছে। তবে ভিসা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার (Visa Overstay) যে অভিযোগ থেকে এই বন্ড আরোপ করা হয়েছে, সেই বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করতে আগ্রহী তাঁর সরকার।
উল্লেখ্য, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের স্থায়ী নীতির আওতায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশসহ (ফিজিসহ, ভানুয়াতু, টুভালু, টোঙ্গা ও পিএনজি) বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬০টি দেশের বি১/বি২ (B1/B2) ক্যাটাগরির পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের ওপর এই রিফান্ডেবল বন্ড প্রযোজ্য করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফিরে এলে এই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। মারাপে তাঁর দেশের নাগরিকদের স্বাগতিক দেশের আইন মেনে চলা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে ব্যবসা, শিক্ষা ও খেলাধুলার জন্য ভ্রমণরত প্রকৃত পাপুয়া নিউ গিনিয়ানদের যাত্রা বাধাগ্রস্ত না হয়।
Geopulse TV
