উত্তর কোরিয়া, চীন ও রাশিয়ার মধ্যকার স্ট্র্যাটেজিক বা কৌশলগত সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। পিয়ংইয়ং ও মস্কোর সামরিক জোট যেমন গভীর হচ্ছে, তেমনই জাপানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা নীতির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে সুর চড়াচ্ছে এই তিন দেশ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়া আরও প্রায় ৫০ হাজার উত্তর কোরিয় সেনাকে যুক্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাশিয়ার সহায়তায় উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র ও যুদ্ধের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি।
একই সময়ে জাপানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নীতি পুনর্মূল্যায়নের চেষ্টার বিরুদ্ধে বেইজিং, মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের আক্রমণাত্মক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। জাপানের নতুন ডিফেন্স হোয়াইট পেপার ও দূরপাল্লার ‘টোমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন ও উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র ‘রোদং সিনমুন’ এবং কিম জং-উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো-জং জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমির পরমাণু বিষয়ক বক্তব্যকে “পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা” আখ্যা দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন বিশেষজ্ঞদের মতে, সিউল-ওয়াশিংটন-টোকিও ত্রিপক্ষীয় অক্ষকে চাপে রাখতেই রাশিয়া-চীন-উত্তর কোরিয়া জোটবদ্ধ হয়ে টোকিওর ওপর এই রাজনৈতিক ও সামরিক মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করছে।
Geopulse TV
