দেশে চিনির কোনও ঘাটতি নেই। সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ন্যায্য দামে চিনি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কৃত্রিম ভাবে দাম বাড়ানো ঠেকাতে আগামী মাস থেকে নতুন ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের বদলে ১৫ দিন অন্তর চিনির বরাদ্দ দেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় ক্রেতা বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলিতে কল থেকে সরাসরি বিক্রি হওয়া চিনির দাম প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। খুচরো বাজারেও চিনির দাম কমতে শুরু করেছে। ফলে দেশে চিনির জোগান নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়েছে সরকার।
মন্ত্রকের বক্তব্য, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখতে ইতিমধ্যেই একাধিক সক্রিয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে কৃত্রিম ভাবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে দাম বাড়ানোর যে কোনও প্রচেষ্টা ঠেকাতেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
সরকার সারা দেশে চিনির দাম, মজুত এবং বাজারে সরবরাহের গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে। কোথাও যাতে চাহিদার তুলনায় জোগান কমে গিয়ে সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ তৈরি না হয়, সে বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
বর্তমানে মাসিক ভিত্তিতে চিনির বরাদ্দ দেওয়া হয়। আগামী মাস থেকে সেই ব্যবস্থার পরিবর্তে ১৫ দিন অন্তর বরাদ্দ ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকারের মতে, এর ফলে বাজারে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও দ্রুত চিনি পৌঁছবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে চিনির জোগান আরও নিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি দামের উপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত চিনি যাতে যুক্তিসঙ্গত দামে বাজারে পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করাই এই নতুন ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।
চিনির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতির উপর আগামী দিনগুলিতেও নজরদারি চালিয়ে যাবে কেন্দ্র। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে ক্রেতা বিষয়ক মন্ত্রক।
Geopulse TV
