ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে আবারও উত্তেজনা। সীমান্ত হত্যা, সীমান্তে গুলি ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে দুই বাংলার মানুষের মধ্যে। বহু বছর ধরেই সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি উঠে আসছে মানবাধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে। তবুও কসবা সীমান্ত হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মৃত্যুর ঘটনা থামছে না।
পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ বছরে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ৬ শতাধিক হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ফেলানী হত্যার ১৪ বছর পেরিয়েও সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। সীমান্ত রাজনীতি এখন শুধু কূটনৈতিক বিষয় নয়, এটি মানবিক সংকটেও পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সীমান্ত ক্রাইম, চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্তে উত্তেজনা— সবকিছু মিলিয়ে ভারতীয় সীমান্ত এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর ইস্যু।
স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তে হত্যা বন্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে দুই দেশকেই। কারণ প্রতিটি সীমান্ত মৃত্যুর ঘটনা শুধু একটি প্রাণহানি নয়, বরং দুই দেশের সম্পর্কেও নতুন চাপ তৈরি করে।
সীমান্ত হত্যা। ভারত বিরোধিতার অন্যতম ইস্যু সীমান্ত হত্যা। প্রায় অভিযোগ করা হয়, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে যেভাবে বিএসএফ সাধারণ মানুষকে পাখির মতো গুলি করে মারে, তেমন বিশ্বের আর কোনও সীমান্তে হয় না। এই অভিযোগ কি সত্যি, নাকি অভিযোগের অন্তরালে লুকিয়ে রয়েছে কোনও ভয়ঙ্কর খেলা? ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়া রেডলাইন ইনভেস্টিগেশনের কেবল বার্তার চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট আপনাকে চমকে দেবে। সীমান্ত হত্যার কারণ নিয়ে সেই রিপোর্টে যা রয়েছে, তা কল্পনার অতীত।
Geopulse TV
