দক্ষিণ লেবানানে ইসরাইলের বিমান হামলাতে অন্তত পক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্থানীয় সংবাদ সংস্থা এন এন এ ইসরাইলের বিমান হামলার খবরটি নিশ্চিত করে। যদিও ইসরাইলের দাবি, এই হামলার ঘটনার মূল উদ্দেশ্য ছিল হিজবুল্লাহর। সেখানকার বেশ কিছু স্থানীয় এরিয়াকে টার্গেট করা হয়। লেবাননের স্থানীয় বাসিন্দা এবং সেখানকার সংবাদমাধ্যম জানায়, বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত হামলা চালায় ইসরাইল। লেবানানের একাধিক এলাকাতে এমনকি নাবাতিহের জেলার বেশকিছু অংশে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। এন এন এ জানায়, গত কয়েক সপ্তাহে যত গুলি হামলা হয়েছে, শুক্রবারের বিমান হামলা সবছেয়ে ভয়াবহ। ইসরাইলের সামরিক বাহিনী হামলার ঘটনায় বিবৃতে দাবি করে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বারবার যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব অমান্য করেছে। ফলপ্রসূ দক্ষিণ লেবানানের বেশ কিছু অঞ্চলে হিজবুল্লাহ যোদ্ধা এবং সামরিক ঘাঁটি গুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। বিমান হামলার দিন কয়েক আগে, ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে কতটা অঞ্চল নিজেদের সামরিক বাহিনীর অধিনে সেই বিষয়ে একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। মানচিত্রে নির্দিষ্ট করা অঞ্চলের বাইরে হামলা না করার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে গতকালের হামলায় ফের একবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন ইরান-ইসরাইলয়ের শান্তির বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দেশটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তিতে লেবানান সহ সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের কথা বলা হলেও ইজরাইল জানায়, হিজবুল্লাহকে দমন না করা পর্যন্ত তারা হামলা বিষয়টি শিথিল করবে না। ইসরাইলের একজন উচ্চপদস্থ অফিসার জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবনানের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর সঙ্গে আলোচনা চলছে। অপরদিকে ইসরাইল হিজবুল্লাহর বেশ কিছু অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত যুদ্ধ পরিস্থিতি জারি রেখেছে। যুদ্ধের পরিস্থিতি আগামীদিনে কোন দিকে পৌঁছায় গোটা বিশ্বের এখন সেদিকেই নজর।
Geopulse TV
