গাজায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সামরিক দক্ষতা ও শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে উগান্ডার প্রতিরক্ষা বাহিনী। চলতি সপ্তাহে দেশটির বিভিন্ন সামরিক শাখার সদস্যরা ২০২৬ সালের ‘ইন্টারফোর্সেস ড্রিল কম্পিটিশনে’ অংশ নেন।
সামরিক মহড়ায় নিখুঁততা ও শৃঙ্খলা বাড়ানো, বাহিনীর সদস্যদের কার্যকর প্রস্তুতি জোরদার এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালী করাই এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য। এবারের প্রতিযোগিতায় উগান্ডার প্রতিরক্ষা বাহিনীর মোট ৪০টি দল অংশ নেয়। শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জিতে নেয় স্পেশাল ফোর্সেস কমান্ড।
তবে সামরিক প্রতিযোগিতাটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন গাজায় সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে উগান্ডায় রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। গত মাসে অনুমোদিত আন্তর্জাতিক স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সের অংশ হিসেবে গাজা উপত্যকায় প্রায় ১ হাজার ২০০ সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উগান্ডা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ প্রস্তাবিত এই বাহিনীর লক্ষ্য হবে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সম্ভাব্য দায়িত্বের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সহায়তা এবং মানবিক ত্রাণ পৌঁছাতে সহযোগিতা করার বিষয় রয়েছে।
তবে উগান্ডা কেন গাজায় সেনা পাঠাতে রাজি হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। দেশটির বিরোধী আইনপ্রণেতাদের কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং সেনা মোতায়েনের ব্যয় কীভাবে বহন করা হবে, সে বিষয়েও সরকারের কাছে জবাব দাবি করেছেন।
Geopulse TV
