ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের (Rebuild) কোনো চেষ্টা চালায়, তবে সেদেশের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে অভাবনীয় শক্তিশালী সামরিক হামলা চালানো হবে বলে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সাথে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন। ট্রাম্প দাবি করেন, চরম সংকটে পড়ে ও সামরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ইরান এখন পর্দা আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছে এবং তারা মরিয়া হয়ে সমঝোতা চাইছে।
নিজের প্রশাসনের কঠোর পররাষ্ট্রনীতি সমর্থন করে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, পারমাণবিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের পাশাপাশি ইরান যদি হরমোজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দেয় বা আক্রমণ চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে ১০ গুণ বেশি শক্তিতে তার জবাব দেবে। সাম্প্রতিক সঙ্ঘাতে জর্ডানে ইরানি ড্রোন হামলায় মার্কিন সেনার মৃত্যুর বিষয়টি স্মরণ করে তিনি জানান, নিহত সেনাদের প্রতি সম্মান জানাতে তিনি ডোভার এয়ার ফোর্স বেসে যাবেন। একই সাথে, গত ১৯ তারিখে ইরাকের এরবিল এয়ার বেসে ইরানি ড্রোন বিস্ফোরণে নিহত মার্কিন সেনার পরিচয় নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন; নিহত ওই জওয়ানের নাম সার্জেন্ট মাইকেল ইমানুয়েল সুইন্টন (নর্থ ক্যারোলাইনা)।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা ও সঙ্ঘাতের তীব্রতা বাড়ার মুখে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সাথে যৌথ সমন্বয় আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। জাতীয় শিল্প ও খনি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, সরকারের সকল সিদ্ধান্ত এখন সর্বোচ্চ নেতার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে এবং ইরান পূর্ণ শক্তিতে প্রতিহত করে যাবে। পারস্য উপসাগর জুড়ে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন চরম উত্তপ্ত।
Geopulse TV
