নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। প্রবল বৃষ্টি ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও উদ্ধারকারীরা ভোতেকোশি নদীর আশপাশের সুড়ঙ্গ এবং ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে আটকে পড়াদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেছেন, এই ভয়াবহ দুর্যোগের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সম্পর্কের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে। গত সপ্তাহের আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতীকী শেষকৃত্যও অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।
নেপাল আর্মিসহ দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ দল এখন পর্যন্ত হেলিকপ্টার ও স্থলপথে ১১ হাজার ৯৯৩ জনকে উদ্ধার করেছে। উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযানে প্রায় ২১ হাজার ৩১৪ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে নেপাল সীমান্তের কাছে তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে আঘাত হানা বন্যায় চীনের অংশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। সেখানে এখনও ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের প্রতিনিধি পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শাহ বলেন, দুর্যোগের ব্যাপকতা ও ধরন হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
এদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ দল মোতায়েন করা হচ্ছে।
Geopulse TV
