দুর্গাপুজোর প্রস্তুতির মধ্যেই বাংলাদেশে একাধিক মন্দির ও পুজোমণ্ডপে হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিমা ভাঙচুর থেকে শুরু করে মন্দিরে চুরি, হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলার ঘটনাও সামনে এসেছে। সব মিলিয়ে পুজোর আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনগুলি।
বাংলাদেশে দুর্গাপুজোর আগে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। সংগঠনটির দাবি, চলতি বছর এখনও পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি প্রতিমা ভাঙচুর ও মণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অভিযোগ সামনে আনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি। সংগঠনগুলির বক্তব্য, দেশের বিভিন্ন জেলায় এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইলের মতো জায়গা থেকে প্রতিমা ভাঙচুর এবং মন্দিরে হামলার খবর এসেছে। ফরিদপুরের একটি পুরনো কালীমন্দিরে চুরির অভিযোগও উঠেছে। পাশাপাশি সুনামগঞ্জে হিন্দুদের বাড়ি, দোকান এবং মন্দিরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ জানিয়েছে সংগঠনগুলি। নওগাঁয় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী পরিচয় দিয়ে একটি হিন্দু বাড়িতে ডাকাতির ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন, এই ঘটনাগুলির কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, অতীতেও একাধিকবার মন্দির ও পুজোমণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দোষীদের শাস্তি হয়নি। ফলে একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে। তাঁদের দাবি, শুধু দুর্গাপুজোর কয়েকটা দিন নিরাপত্তা দিলেই হবে না। সারা বছরই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পুজোর আগে নতুন করে এই অভিযোগ সামনে আসায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এখন প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।
Geopulse TV
