ভারত ক্রমশ বিশ্বের গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (জিসিসি) স্থাপনের অন্যতম প্রধান গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁর মতে, দক্ষ জনশক্তি, শক্তিশালী শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উদ্ভাবনভিত্তিক পরিবেশের কারণে বহুজাতিক সংস্থাগুলোর কাছে ভারতের আকর্ষণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

নয়াদিল্লিতে সিআইআই ন্যাশনাল জিসিসি বিজনেস সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ভারতে ২ হাজার ১০০-এর বেশি গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সরাসরি প্রায় ২৩ লাখ পেশাজীবী কর্মরত রয়েছেন এবং বছরে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হচ্ছে।
নির্মলা সীতারামন বলেন, গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার শুধু সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এগুলো প্রকৌশল, গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, অর্থনীতি, পণ্য নকশা এবং তথ্যবিজ্ঞানকে একত্রিত করে ধারাবাহিক উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। ফলে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও দক্ষ ও আধুনিক হচ্ছে।
তিনি জানান, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এখন বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ভারতে তাদের নতুন গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার স্থাপনে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ভারতের জিসিসি ব্যবস্থা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগঠিত জ্ঞানভিত্তিক রপ্তানি খাতগুলোর একটি।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতে পরিচালিত এসব কেন্দ্র এখন শুধু প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে না, বরং বৈশ্বিক পর্যায়ে নেতৃত্ব, কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নতুন উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, ভারতের লক্ষ্য কেবল বিশ্বের গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টারগুলোর আবাসস্থল হওয়া নয়, বরং ভবিষ্যতের প্রযুক্তি, নতুন পণ্য এবং উদ্ভাবনী শিল্প গড়ে তোলার নেতৃত্ব দেওয়া।
Geopulse TV
