রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনা ও তা বিশ্ববাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমেরিকার জন্য এই ডিজেল কেনা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
গত শুক্রবার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া বিশ্ববাজারে ৩ লক্ষ টনেরও বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। এরপর নভেম্বর মাসে আরও ৫ লক্ষ টন ডিজেল পাঠানো হবে। পরবর্তী সময়ে এই সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে ১০ লক্ষ টন হবে বলেও জানানো হয়েছে। এই চুক্তি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার উপর আমেরিকার জারি করা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কীভাবে এই ডিজেল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের একাংশের বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে এই ধরনের লেনদেন নিষেধাজ্ঞার নীতির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এদিকে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহের পথ কিছুটা সহজ করতে সাময়িক ছাড় দিয়েছে আমেরিকার অর্থ দফতর। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ একটি অস্থায়ী লাইসেন্স জারি করেছে। এর ফলে রাশিয়ার ডিজেল পরিবহণের উপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। এই ছাড় ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ট্রাম্পের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানো এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। তবে রাশিয়ার সঙ্গে এই লেনদেন নিয়ে বিতর্ক এখনও থামেনি। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই সিদ্ধান্তের কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর বিশেষজ্ঞদের।
Geopulse TV
