নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ৩২ জনের। মৃতদের মধ্যে ২৫ জন যাত্রী এবং ৭ জন বিমানকর্মী ছিলেন। নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলো টিনুবু জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা কেউই বেঁচে নেই। দুর্ঘটনার কারণ জানতে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
নাইজেরিয়ার বিমানবাহিনীর একটি সামরিক বিমান বেনিন সিটি থেকে লাগোসের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথেই বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকেই বিমানটির খোঁজ শুরু হয়। নাইজেরিয়ার বিমানমন্ত্রী ফেস্টাস কেইয়ামো জানিয়েছেন, বিমানটি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবেই যাত্রা করেছিল। এটি ছিল একটি এই-টি-আর ফরটি টু বিমান। উড়ানের সময় কোনও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বিমানটির সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করা হয়। পরে দক্ষিণ-পশ্চিম নাইজেরিয়ার ইগবোকোডা উপকূলীয় শহরের কাছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়। এলাকাটি একটি নৌঘাঁটির কাছেই অবস্থিত।
ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। শুরু হয় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান। তবে পরে নিশ্চিত করা হয়, বিমানে থাকা ৩২ জনের কেউই বেঁচে নেই। দুর্ঘটনার খবর সামনে আসার পর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট টিনুবু। তিনি নাইজেরিয়ার বিমানবাহিনীকে দ্রুত তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে বিমানটি ভেঙে পড়ল, যান্ত্রিক কোনও ত্রুটি ছিল কি না এবং দুর্ঘটনার আগে পাইলটরা কোনও সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নাইজেরিয়া। এদিকে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। দুর্ঘটনাটি ঘিরে নাইজেরিয়ায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
Geopulse TV
