বৈষম্য নাকি দরদ? জুলাই শহীদদের জন্য ঢালাও বরাদ্দ। হামে নো মানি BNP-র

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পুনর্বাসন ও কল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের উল্লেখযোগ্য অংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। আহত আন্দোলনকারীদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারকে সহায়তা, ভাতা এবং আবাসন প্রকল্পসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের তথ্য উঠে এসেছে।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য চিত্রের কথা উঠে এসেছে। দেশের একাধিক জেলায় হাম—বিশেষ করে হাম-রুবেলা—সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং এক লাখ ষাট হাজারেরও বেশি শিশু এতে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI)-এর কাঠামোগত ব্যাঘাত এবং UNICEF-এর মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থাপনার সংকটের কারণে শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ টিকার স্থানীয় পর্যায়ে ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

একদিকে যেখানে জুলাই-পরবর্তী কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে ১,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে, অন্যদিকে শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই প্রতিবেদনে তাই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি করা হয়েছে—রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের অগ্রাধিকার কী হওয়া উচিত? প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি কোথায়? জরুরি জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা কার্যকর? এবং জাতীয় বাজেটে শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদান কর্মসূচি কি যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে? দক্ষিণ এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ও শাসনব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে একটি তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ দেখতে পুরো প্রতিবেদনটি দেখুন।

About Desk 3

Check Also

পতেঙ্গা, লালদিয়ার পর নিউমুরিংও বিদেশিদের হাতে! চট্টগ্রাম বন্দর ঘিরে কীসের খেলা ?

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (NCT) দুবাইভিত্তিক আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা ডিপি ওয়ার্ল্ডের (DP World) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *