তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে (Air Force One) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওঠার দৃশ্য সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় স্পষ্ট দেখা গেলেও, প্রকৃতপক্ষে বিমানটি যখন আঙ্কারা ছাড়ে তখন তিনি সেখানে ছিলেনই না! এক রিমোট ক্যাটারিং ট্রাকের মাধ্যমে গোপনীয়ভাবে তাঁকে অন্য একটি সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং যুক্তরাজ্যের ‘আরএএফ মিলডেনহল’ ঘাটিতে পৌঁছে দেওয়া হয়। আর প্রেসিডেন্সিয়াল বিমানে থাকা সাধারণ যাত্রী ও সংবাদকর্মীরা বুঝতেও পারেননি যে তাঁরা প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করার একটি প্রকাণ্ড ‘ডিকয়’ বা রূপক ছদ্মবেশের অংশ ছিলেন।
মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, শত্রু কিংবা যেকোনো সম্ভাব্য হামলাকারীকে বিভ্রান্ত করতে এটি কোনো নতুন বিষয় নয়, বরং অতি পরিচিত এক কৌশল। কেবল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিদেশ সফরই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের লিমুজিন কিংবা হেলিকপ্টার যাত্রাতেও এই ধরনের ‘শেল গেম’ বা বিভ্রান্তিকর কৌশল নিয়মিত প্রয়োগ করা হয়। যেমন—একই চেহারার দুটি সাঁজোয়া লিমুজিন ‘দ্য বিস্ট’ ফ্ল্যাটে উড়ালসেতু বা টানেলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে নেয়, অথবা ‘মেরিন ওয়ান’ হেলিকপ্টার তিনটি একই সাথে উড়ে মাঝআকাশে অবস্থান বদলায় যাতে প্রেসিডেন্টের সুনির্দিষ্ট অবস্থান গোপন থাকে। যুদ্ধক্ষেত্র বা উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের সুরক্ষায় এই ধরনের বহুমুখী ও চমকপ্রদ ছদ্মবেশের আশ্রয় নিয়ে থাকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এই নিরাপত্তা সংস্থা।
Geopulse TV
