ক্লিন এনার্জিতে ভারতের বড় সাফল্য, নতুন রেকর্ড

ভারত ৩০০ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার মাইলফলক অতিক্রম করেছে, যা দেশটির জ্বালানি খাতে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আকাশবাণীর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই অর্জন ২০৩০ সালের মধ্যে নির্ধারিত ৫০০ গিগাওয়াট লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার মধ্যে এখন অ-জীবাশ্ম জ্বালানির অংশ ৫৪ শতাংশেরও বেশি।

এই সাফল্যের পেছনে সৌর শক্তি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে ভারতে প্রায় ১৬৫ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে, যা এই খাতের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে রেকর্ড ৫৫.২৯ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা যুক্ত হয়েছে।

শুধু উৎপাদন ক্ষমতা নয়, নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও ব্যাপক বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০১৪-১৫ সালে যেখানে উৎপাদন ছিল প্রায় ১৯১ বিলিয়ন ইউনিট, সেখানে ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে ৪৭৭ বিলিয়ন ইউনিটে পৌঁছেছে। এই প্রবৃদ্ধি ভারতের জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়নের প্রতিফলন।

সরকার বলছে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে এই রূপান্তর এখন শুধু পরিবেশগত প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের শিল্প প্রতিযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

About Desk 1

Check Also

গোয়া দখল করতে কেন ১৪ বছর লাগলো ভারতের ?

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারত স্বাধীনতা লাভ করলেও, দেশের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত গোয়া তখনও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *