এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য খোলা থাকলেও ইরানের জন্য নয়। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে এবং প্রতিদিন হামলার তীব্রতা বাড়ানো হবে। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে এবং চুক্তি ভঙ্গ করছে।
এদিকে, ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) বাহিনী বাহরাইনে অবস্থিত শেখ ঈসা ঘাঁটিতে বৃহৎ আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে। তাদের মতে, সেখানে জাহাজ ও বিমান সংক্রান্ত অস্ত্র সংরক্ষণাগার ধ্বংস করা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানায়, কুয়েতের আলি সালেম ঘাঁটিতে মোতায়েন এমকিউ-৯ ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশটির আকাশসীমায় “শত্রু ড্রোন” প্রতিহত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।
Geopulse TV
