ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সদর দফতরে রুশ ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
মঙ্গলবার দিনের বেলায় ‘We Are Ukraine’ নামের টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যালয়ে ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার সময় সাংবাদিকরা সরাসরি সম্প্রচারে ছিলেন। হামলার পর ভবনটির একটি অংশ ধসে পড়ে এবং লাইভ সম্প্রচারও ব্যাহত হয়।
জেলেনস্কি এই হামলাকে রাশিয়ার ‘অবক্ষয়ের নতুন অধ্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এটি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা। চ্যানেলটির পক্ষ থেকেও হামলাটি দুর্ঘটনাবশত নয়, বরং সাংবাদিকদের লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে রাতভর কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা। পরে দিনের হামলাসহ রাজধানীতে নিহতের সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছায়। আবাসিক ভবনেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তার জন্য কিয়েভের বাসিন্দাদের অনেকে মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নেন।
দক্ষিণ ইউক্রেনে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনেও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এক নারী কর্মী নিহত হয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি মস্কো ও কিয়েভ সফর করেছেন। তবে আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।
মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ট্রাম্প ফোনে প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলেছেন। যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আশঙ্কা করছেন, সংঘাত শীতকাল পর্যন্ত গড়াতে পারে।
Geopulse TV
